প্রফেসর ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন
এমবিবিএস এফসিপিএস এফআরসিপি পিএইচডি
ফেলো পালমনলোজী স্লি প মেডিক্যাল আইসিইউ (সিঙ্গাপুর)
মেডিসিন বক্ষব্যাধি ও স্লিপ বিশেষজ্ঞ।
চেম্বারঃ ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল
সাক্ষাতের সময়ঃ বিকাল ৩ টা-৫টা, রাত ৭টা-৯টা
শুক্রবার-সকাল ১০টা-১২টা।

মেডিসিন, বক্ষব্যাধি ও স্লি প বিশেষজ্ঞ
সিরিয়াল-১০৬০৬ (হটলাইন), তথ্য-০১৮৪১৫২১৮৯৮

মেডিসিন (INTERNAL MEDICINE)

* বয়স্কদের চিকিৎসা
* শল্যচিকিৎসাহীন চিকিৎসা: অপারেশন বা সার্জারি ছাড়া ওষুধের মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা করা।
* সমন্বিত চিকিৎসা
* দীর্ঘস্থায়ী রোগ ব্যবস্থাপনা: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ যা দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট রোগিদের থাকে, এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
* প্রাথমিক রোগ নির্ণয়: রোগীর বহুমুখী উপসর্গ দেখে সঠিক রোগ নির্ণয় করা এবং প্রয়োজন হলে অন্য কোনো বিশেষ চিকিৎসকের (যেমন- কার্ডিওলজিস্ট বা নেফ্রোলজিস্ট) কাছে পাঠানো।

মেডিসিন (INTERNAL MEDICINE)

বক্ষব্যাধি (RESPIRATORY MEDICINE)

বক্ষব্যাধি (Respiratory Diseases) হলো মূলত ফুসফুস, শ্বাসনালী এবং বুক সম্পর্কিত শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ।
সাধারণ বক্ষব্যাধি রোগসমূহ যেমন
* হাঁপানি বা অ্যাজমা, যক্ষ্মা বা টিবি: মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, শ্বাসনালীর সিওপিডি ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়া রোগিদের টীকা দেওয়া হয়।

বক্ষব্যাধি (RESPIRATORY MEDICINE)

ঘুমের রোগ (SLEEP DISORDERS)

ঘুমের রোগগুলোর প্রকারভেদ-
অনিদ্রা (Insomnia), স্লিপ অ্যাপনিয়া ঘুমের সময় বারবার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, হাইপারসোমনিয়া, রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম (RLS): ঘুমের সময় পায়ে অস্বস্তি বা ছটফট ভাব হওয়া, নারকোলেপসি-হঠাৎ করে দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম বা ঘুমের ঝোঁক আসা, প্যারাসমনিয়া-ঘুমের মধ্যে হাঁটা- এরকম প্রায় একশত ঘুমের রোগ রয়েছে। প্রধান কারণসমূহ-বিষণ্নতা, অনিয়মিত ঘুমের রুটিন, অতিরিক্ত মোবাইল-ল্যাপটপ ব্যবহার।

ঘুমের রোগ (SLEEP DISORDERS)

ঘুমের রোগ নির্নয়ের জন্য পলিসম্নোগ্রাফি একটি গুরুত্বপূর্ন পরীক্ষা। বিশেষত ঘুমে শ্বাসরোধ, নাকডাকা, স্লিপ এপ্নিয়া ইত্যাদি রোগ নির্নয় ও সঠিক চিকিৎসার জন্য ল্যাবরেটরি পলিসম্নোগ্রাফি অত্যাবশ্যকীয়। এক্ষেত্রে রোগিকে রাত ৮ টা থেকে সকাল ৮ টা পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়। মাথা থেকে পা পর্যন্ত প্রায় ২০ টি সেন্সর লাগানো হয়। যার মাধ্যমে দেহের সকল ক্রিয়া যেমন ঘুম-জাগা, চোখের নড়াচড়া, নাক ডাকা, শ্বাসের প্রবাহ, হার্টের স্পন্দন, রক্তে অক্সিজেন, বুক-পেটের উঠা নামা, পায়ের নড়াচড়া, দেহের ঘুমের সময় অবস্থান সব জানা যায়। যদি কোন রোগির স্লিপ এপ্নিয়া দেখা যায় তবে ২ ঘন্টা পর CPAP/BPAP মেশিন লাগিয়ে রোগির চিকিৎসায় কত প্রেশার CPAP/BPAP এ লাগবে তা নির্নয় করা যায়।☎️০১৮৪১৫২১৮৯৮

Dhaka Sleep Research Centre (DSRC)

MEDICAL NEWS HIGHLIGHTS

HIPPOCRATES
Ancient Greece
Medicine & Clinical Practice
c. 460–370 BCE
Father of Medicine

IBN SINA
Persia
Medicine & Medical Scholar
980–1037
Author of The Canon of Medicine

RENÉ LAENNEC
France
Respiratory Medicine & Clinical Diagnosis
1781–1826
Pioneer of Chest Medicine

SIR WILLIAM OSLER
CANADA
INTERNAL MEDICINE

1849–1919
FATHER OF MODERN CLINICAL MEDICINE

চিকিৎসা বিজ্ঞানের আপডেটঃ চিকিৎসা বিজ্ঞানের জগৎ প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আবিষ্কার ও গবেষণার মাধ্যমে এগিয়ে চলেছে। আজকের দিনে বিশ্বজুড়ে আলোচিত কিছু শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য গবেষণার খবর নিচে তুলে ধরা হলো: ১. মস্তিষ্ক ও স্নায়ুবিজ্ঞান (Neuroscience) * মস্তিষ্কের বার্ধক্য কমানোর ডায়েট: ল্যান্ডমার্ক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ‘MIND Diet’ (বিশেষ ধরণের শাকসবজি, বাদাম ও বেরি সমৃদ্ধ খাবার) মেনে চলেন, তাদের মস্তিষ্কের সংকোচন বা ধূসর পদার্থ (Grey Matter) কমে যাওয়ার গতি অনেক ধীর হয়। এটি মস্তিষ্কের বয়স প্রায় ২.৫ বছর পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। * স্ট্রোকের ক্ষতি বাড়াচ্ছে পেটের ব্যাকটেরিয়া: নতুন এক গবেষণায় (LMU) দেখা গেছে, আমাদের অন্ত্রের (Gut) কিছু ব্যাকটেরিয়া থেকে নির্গত উপাদান বা মেটাবোলাইট স্ট্রোকের পর মস্তিষ্কের ক্ষতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি স্ট্রোক চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। * অ্যালঝেইমার্স ও গ্লুকোসামিন সাপ্লিমেন্ট: একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, গাঁটের ব্যথার জন্য বহুল ব্যবহৃত ‘গ্লুকোসামিন’ সাপ্লিমেন্টটি মৃদু মানসিক বিভ্রান্তি (MCI) থেকে দ্রুত অ্যালঝেইমার্স রোগে রূপান্তর ঘটার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যাদের পরিবারে অ্যালঝেইমার্সের ইতিহাস আছে, তাদের এই সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে সতর্ক করা হয়েছে। ২. ওষুধ ও ক্যানসার গবেষণা * ক্যানসারের নতুন অ্যান্টিবডি (Ivonescimab): ফুসফুসের ক্যানসার রোগীদের জন্য একটি নতুন দ্বিমুখী অ্যান্টিবডি (Bispecific Antibody) দারুণ কার্যকারিতা দেখাচ্ছে, যা প্রচলিত ইমিউনোথেরাপির চেয়েও ভালো সাড়া দিচ্ছে। * ওজন কমানোর নতুন 'GLP-1' পিল: বর্তমানে বহুল আলোচিত ইনজেকশনভিত্তিক ওজন কমানোর ওষুধের (যেমন Wegovy বা Zepbound) পরিবর্তে এখন মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট বা পিল সংস্করণ নিয়ে আসা হচ্ছে, যা ২০২৬ সালের অন্যতম বড় চিকিৎসা বিপ্লব। * ইউরিন টেস্টেই ব্লাডার ক্যানসার শনাক্ত: প্রচলিত বেদনাদায়ক পরীক্ষার চেয়ে এখন একটি নতুন আরএনএ (RNA) ভিত্তিক মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মূত্রথলির ক্যানসার বা ব্লাডার ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। ৩. স্বাস্থ্য ও জীবনধারা প্রযুক্তি * লবণ ও স্মৃতিশক্তি: সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে যে, খাবারে অতিরিক্ত কম লবণ খাওয়াও অতিরিক্ত বেশি লবণ খাওয়ার মতোই মানুষের স্মৃতিশক্তি বা বুদ্ধিমত্তার ক্ষতি করতে পারে। অর্থাৎ, লবণের একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। * কৃত্রিম রক্ত বা সেল-ফ্রি প্ল্যাটফর্ম: ল্যাবরেটরিতে কোষ ছাড়াই সরাসরি প্রোটিন ও থেরাপিউটিকস তৈরির প্রযুক্তি (Cell-free platforms) অত্যন্ত দ্রুত উন্নত হচ্ছে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুত জীবন রক্ষাকারী উপাদান তৈরি করতে পারবে।

মেডিকেল সাইন্স আপডেট

প্রফেসর ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ, সাবেক ডিন (মেডিসিন অনুষদ) ও উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) ১৯৮৮ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (K-৩৯) থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে বিসিপিএস থেকে এফসিপিএস (মেডিসিন) গ্রহন করেন। ২০০৩ সালে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল, সিঙ্গাপুর রেস্পিরেটরী মেডিসিন বিভাগে ফেলোশীপ প্রশিক্ষন লাভ করেন। এসময় তিনি অনারারী রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বক্ষব্যধি ও স্লি প রোগের উচ্চতর প্রশিক্ষন সম্পন্ন করেন। পরবর্তিতে বাংলাদেশে ঘুমের রোগ বিশেষত স্লিপ এপ্নিয়ার চিকিৎসার প্রসারে অবদান রাখেন। ২০১১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। ১৯৯১ সালে ৯ম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে কিশোরগঞ্জের হুমায়ূন্পুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সহকারী সার্জন পদে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিএ, রেজিস্ট্রার, আরপি ও সহকারী অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেন। ৭ ফেব্রুয়ারী ২০০১ সালে সহকারী অধ্যাপক (রেসপিরেটরী ডিজিজেস) পদে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তাঁর একান্ত প্রচেষ্টায় ২০১৪ সালে রেসপিরেটরী উইং এ এমডি (পালমনোলজী) কোর্স ও ২০১৭ সালে রেসপিরেটরী মেডিসিন বিভাগ চালু হয়। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে ৫০ টি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৫ সালে সারকয়ডোসিস রোগীদের গবেষনার জন্য ERS কর্তৃক Young Investigator Award এ ভুষিত হন। রোগীদের সচেতনতার জন্য তিনি প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ায় সক্রিয় ভুমিকা রাখেন। তাঁর লেখা "বক্ষব্যাধি চিকিৎসা ও প্রতিরোধ" সর্বমহলে প্রশংসিত।

প্রোফেসর্স প্রোফাইল

সঠিক ভাবে, নিরাপদে ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়

MEDICAL INSTITUTIONAL AFFILIATIONS